রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
🔥 ‘ঘামের সঙ্গে ঘামছে পকেটও! রাজধানীতে আগুন দামে ডাব!’ 🔥
অনলাইন ডেস্ক
দেশজুড়ে চলছে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ, আর তার আঁচ যেন সবচেয়ে বেশি লাগছে ঢাকাবাসীর গায়ে। দিনে দুপুরে রাস্তায় বের হলেই মনে হয় শরীর গলে যাবে! এই গরমে স্বস্তির আশায় মানুষ ছুটছে প্রাকৃতিক পানীয়ের দিকে—আর সেই তালিকার শীর্ষে আছে ডাব। কিন্তু চাহিদা বাড়তেই ডাব যেন হয়ে উঠেছে বিলাসিতা!
রাজধানীর মোহাম্মদপুর, কারওয়ান বাজার, বিমানবন্দর থেকে শেখেরটেক—সবখানেই এখন ডাবের দাম আকাশছোঁয়া। বড়সড় একটি ডাব কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। মাঝারি আকারের জন্য গুনতে হচ্ছে ১২০-১৫০ টাকা। আর ছোট কচি ডাবও মিলছে না ১০০ টাকার নিচে! যদিও একটি ডাবে গড়ে ৩০০-৫০০ মিলি পানি পাওয়া যাচ্ছে, তবুও দাম শুনে ক্রেতারা হাঁফাচ্ছেন।
বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারিতে ১০০টি ডাব কিনতে এখন দিতে হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত, যেখানে মাসখানেক আগেও এই দাম ছিল ৮-১০ হাজার। ফলে খুচরায় দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। তবে অনেকেই অভিযোগ করছেন, গরমের সুযোগ নিয়েই দোকানিরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
এই গরমে শুধু ডাব নয়, ভ্যানগাড়ির ফল বিক্রেতারা তালশাঁসও নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি কচি তাল বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়, আর একেকটা তালে মিলছে ৩-৪টি রসাল শাঁস। মোহাম্মদপুরের এক বিক্রেতা জানালেন, গরমে তালশাঁসের চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে প্রতিদিন বিক্রি করছেন ৩০০ থেকে ৪০০টি কচি তাল!
তবে এখনো ঢাকার সব বাজারে পুরোপুরি উঠেনি গরমের সব ফল। কিছু বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম আর আনারস, তবে দাম এখনো চড়া।
স্বস্তির আশায় যেখানে মানুষ এক কাপ ঠান্ডা ডাবের পানি খেতে চায়, সেখানে আজ তা হয়ে উঠেছে ব্যয়বহুল উপাদান। গরমে পানিশূন্যতা ঠেকাতে মানুষ কিনছে ঠিকই, তবে পকেটের ওপর চাপটা পড়ছে বেশ ভালোভাবেই।